1. kazibiplop.jp42@gmail.com : admin :
সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০২৩, ০১:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ডিএমপির নবনিযুক্ত কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন হাবিবুর রহমান সাভারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭ তম জন্মদিন উদযাপন করেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতির শ্রদ্ধা নিবেদন সাভারে ফ্যান্টাসি কিংডমে এসকে মেশিনারিজের বার্ষিক পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দৈনিক সংবাদ প্রবাহ ডট কম অনলাইন পোর্টালের যাত্রা শুরু অভিযানে রাজউক কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হন যমযম হাউজিংয়ের পালিত সস্ত্রাসীরা বনগাঁয়ে আ’লীগের দু’গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৫ মোবাইলে ডাটা ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন প্যাকেজ নির্ধারণ দেশের উন্নয়নে আ’লীগ সরকারের বিকল্প নেই: এ্যাড কামরুল ইসলাম ঢাকা-১৯ আসনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করলেন সাইফুল ইসলাম

দেশে সরকারি হাসপাতালে প্রথম টেস্ট টিউব শিশুর জন্ম

সাভার বার্তা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৬ জন পড়েছে

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ‘টেস্ট টিউব শিশুর’ জন্ম হয়েছে। শিশুটি সুস্থ আছে। সরকারি কোনো হাসপাতালে এটাই প্রথম টেস্ট টিউব শিশু জন্মের ঘটনা।

ঢাকা মেডিকেলের পরিচালকের কার্যালয় ও চিকিৎসকদের সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহ দেড়েক আগে শিশুটির জন্ম হয়েছে। শিশুটি সুস্থ আছে। তবে একটি উপযুক্ত দিনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের উপস্থিতিতে শিশুটির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে চায় ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বন্ধ্যা নারীর মা হওয়ার আধুনিকতম পন্থা হচ্ছে ‘টেস্ট টিউব শিশু’ নেওয়া। এই পন্থায় স্ত্রীর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয় আর স্বামীর শরীর থেকে শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। গবেষণাগারে সেই ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্ত করে কৃত্রিমভাবে ভ্রূণ সৃষ্টি করা হয়। পরে সেই ভ্রূণ স্ত্রীর গর্ভাশয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়। স্বাভাবিক ভ্রূণ যেভাবে গর্ভাশয়ে বেড়ে ওঠে, কৃত্রিম ভ্রূণও একইভাবে বেড়ে উঠতে থাকে। এভাবে ৯ মাস পর যে শিশুর জন্ম হয়, তাকে টেস্ট টিউব শিশু বলা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, টেস্ট টিউব শিশুর ব্যাপারে মা-বাবা এবং চিকিৎসক কেউই সামান্যতম কোনো ঝুঁকি নিতে চান না, তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশুর জন্ম হয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে।

বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব শিশুর জন্ম হয় ২০০১ সালে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। এরপর একাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের শিশুর জন্ম হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই প্রথম এ ধরনের কোনো শিশুর জন্ম হলো।

সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান না হওয়ার কারণে অনেক স্বামী-স্ত্রী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেকে অনেকভাবে সন্তান জন্মদানের চেষ্টা করেন। বহু দম্পতি প্রতিবেশী দেশ ভারতে যান বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার জন্য। দেশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বা ভারতে টেস্ট টিউব শিশুর জন্য ব্যয় অনেক বেশি। কোনো নিম্নবিত্তের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। ঢাকা মেডিকেলের মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানে এই সুযোগ তৈরি হওয়ায় অনেক নিম্নবিত্ত দম্পতিও নতুন করে সন্তান জন্ম দেওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved ©2014 - 2023 Savarbarta24.com
Desing BY Mutasim Billa